উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, অবৈধ দখল ও যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে বুড়িগঙ্গার অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। নদীটি রক্ষায় তীরবর্তী বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীকে নৌ-চলাচলের উপযোগী করতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। নদীগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রতি শনিবার বিশেষ অভিযান চলবে। দায়িত্বে অবহেলা এবং এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস, কম্পোস্ট সার ও ডিজেল উৎপাদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এর প্রাথমিক ধাপে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করেন তিনি।
কর্মসূচির উদ্বোধনে বুড়িগঙ্গার তীরে পড়ে থাকা বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত ভাসমান বাজারে জমা দিলে বিনিময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উপহার দেওয়া হয়। একটি লঞ্চ সাজিয়ে অস্থায়ীভাবে এই ভাসমান বাজার তৈরি করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




