এ সময় ইশরাক হোসেনকে সমর্থকদের বেষ্টনীতে একটি খোলা জিপে দেখা যায়। বিক্ষোভের কারণে প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে কিছু সময় দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকে। এতে আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন জানান, সাম্প্রতিক মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুন্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। তাঁর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাঁর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীদের কয়েকজনকে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ধরতে দৌড়াতেও দেখা যায়। তাঁদের একজনকে এক তরুণকে লাথি মারতে দেখা গেছে।
অন্য একটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে ইশরাক হোসেনের ব্যক্তিগতভাবে নিয়োগ করা দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুর পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও উপস্থিত ছিলেন। ব্যক্তিগত দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।



