মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন প্রজ্ঞাবান নেতা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হাতে বন্দি থাকা অল্প কয়েকজন জাতীয় নেতার একজন ছিলেন। ফলে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষণ ছিল গভীর ও বাস্তবভিত্তিক।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর, বিশেষ করে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক ধারাগুলো নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছিল। সে সময় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে যাদু মিয়া জিয়াউর রহমানকে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বিকাশ, বিএনপির প্রতিষ্ঠা, পরবর্তীকালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের ধারাবাহিকতার পেছনে যাদু মিয়ার দূরদর্শী রাজনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, যদি সে সময় জিয়াউর রহমানকে সঠিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তর করা না হতো, তাহলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গতিপথ ভিন্ন হতে পারত।
নতুন প্রজন্মের কাছে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও রাষ্ট্রচিন্তা তুলে ধরার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু, শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।