বাংলাদেশের সংবিধান এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানে বলা হয়েছে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে কোনো শূন্যতা তৈরি হবে না। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার।
সংবিধানের এই বিধান রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাংবিধানিক শূন্যতা এড়ানোর জন্য প্রণীত হয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার সাংবিধানিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকবে।
সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।