জানা গেছে, গত কয়েক দিনে রাষ্ট্রপতির সিটি স্ক্যান ও এমআরআইসহ একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে হৃদ্রোগের পাশাপাশি নিউরোলজিক্যাল জটিলতার বিষয়টি উঠে আসে। এর আগেও তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে বাইপাস সার্জারি করান। পরবর্তীতে শারীরিক দুর্বলতা, কোমর ও পিঠের ব্যথার কারণে যুক্তরাজ্যেও চিকিৎসা নেন।
সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় তিনি আবারও চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হন। বঙ্গভবনের কর্মীদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবারও তিনি নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। নিজ কার্যালয়ে এসে কয়েকটি ফাইলে স্বাক্ষর করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
তবে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বঙ্গভবনে এক ধরনের বিদায়ের আবহ তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একজন কর্মকর্তা বলেন, শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি পদত্যাগের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি কিছুটা বিষণ্ন ছিলেন। দীর্ঘ সময় একসঙ্গে দায়িত্ব পালনের কারণে কর্মীদের মধ্যেও আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র জানায়, চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে এক আলাপচারিতায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন এবং সংবিধানের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব থেকে বিদায় নিতে চান।