২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন এবং শহীদদের আত্মত্যাগ সংরক্ষণের লক্ষ্যেই সাবেক ক্ষমতার কেন্দ্র গণভবনকে জাদুঘরে রূপ দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
জাদুঘরে স্থান পেয়েছে গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন আলোকচিত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত স্মারক, রক্তমাখা পোশাক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা নিদর্শন।
এর আগে কয়েক দফা উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এবার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ায় নির্ধারিত তারিখেই জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হবে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, ৫ আগস্ট সরকারিভাবে ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। এ উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, একই দিন চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের সম্মানে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
সরকারের সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের স্মৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।