শুক্রবার (২৪ জুলাই) ব্যক্তিগত ও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
যেভাবে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে মনোনয়ন দিলেই তিনি রাষ্ট্রপতি হয়ে যান না; নির্ধারিত সাংবিধানিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবেন।
তপশিল ঘোষণার পর একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ ছাড়াই তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হবে।