সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রেও সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন নয়াদিগন্ত সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম এবং মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সম্পাদকরা সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার না করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, কোনো সংবাদে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে আদালতের সমন ছাড়া পুলিশ যেন কেবল সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে কোনো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার না করে। তবে ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
এ সময় সম্পাদকরা মিডিয়া কমিশনের কাজ দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিলকে পুনর্গঠন ও আরও কার্যকর করার দাবি জানান।
এ ছাড়া দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ প্রেস ট্রাস্টের অধীন বন্ধ গণমাধ্যমগুলো পুনরায় চালুর দাবি জানান সম্পাদকরা। তাদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠান চালু হলে সাংবাদিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।