মন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। পাশাপাশি সিলেট সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে মাঠ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ভলিবল, হকি ও টেনিসসহ বিভিন্ন খেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারীরা দেশের গর্ব।
জাতীয় পর্যায়ে কাবাডি ও ফুটবলে সিলেটের বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, তাঁদের অর্জন সিলেটবাসীর জন্য গর্বের। সিলেটের ক্রীড়া অবকাঠামো ও মাঠের সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কাবাডি খেলোয়াড়দের অনুশীলনের উপযোগী ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী ও এম এ মালিক, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকেরা।



